• ask@obokash.com, obokash.net@gmail.com
  • +88-02-9853475, +88-01945111444

ঝামেলাহীন বিমান ভ্রমনের ৭টি গুরুত্বপূর্ন টিপস

Travel Airplane

ঝামেলাহীন বিমান ভ্রমনের ৭টি গুরুত্বপূর্ন টিপস

ব্যাস্ততা থেকে অবসর নিতে ভ্রমনের বিকল্প নেই, আর সেই ভ্রমন যদি হয় বিদেশ ভ্রমন তাহলে তো কথাই নেই। বিদেশ ভ্রমনের জন্য প্রথমেই যে বিষয়টি সামনে আসে তা হলো বিমান যাত্রা। সঠিক প্রস্তুতি না থাকলে এই বিমান যাত্রায়ই কিন্ত হতে পারে বিভিন্ন ধরনের সমস্য।

দেশে কিংবা দেশের বাইরে আকাশ কিংবা স্থল পথে যেকোনো ভ্রমনের পূর্বেই একটি সঠিক প্লান থাকা আবশ্যক। একটি সঠিক ভ্রমণ পরিকল্পনা আপনার পুরো ট্যুরের খরচ কমাতে পারে অনেকটা।

আজকের ব্লগে আমরা আমরা বিদেশ ভ্রমনের শুরুতে অর্থাৎ বিমানে ঝামেলাহীন ভাবে ভ্রমনের জন্য ৭টি গুরুত্বপূর্ন টিপস সম্পর্কে আলোচনা করবো।

 

ঝামেলাহীন বিমান ভ্রমনের ৭টি গুরুত্বপূর্ন টিপস

০১. সঠিক এজেন্সি থেকে টিকেট কিনুন

বিমান ভ্রমনে শুরুতেই যে জিনিসটি আপনার প্রয়োজন হবে তা হলো টিকেট এবং টিকেট আপনাকে ভ্রমনের আগেই ক্রয় করতে হবে। টিকেট কেনার সময় অনেকেই অসতর্কতা অবলম্বন করে থাকেন। অনলাইনের এই যুগে চারিদিকে অনেক ভূইফোড় ট্রাভেল এজেন্সি দেখা যায় যাদের নিজেদের কোনো অফিস পর্যন্ত নেই।

তাই টিকেট কাটার আগে অবশ্যই ওই এজেন্সি সম্পর্কে খোজ খবর নিয়ে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। বিমান ভ্রমন কিংবা টিকেট সংক্রান্ত যেকোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন অবকাশ এর সাথে।

০২. সঠিক সময়ে বিমানবন্দরে আসুন 

বিমান ভ্রমনের জন্য সঠিক সময়ে এয়ারপোর্টে উপস্থিত থাকাটা জরুরী। যারা নতুন ব প্রথম বিমান ভ্রমন করেন তারা হয়তো চিন্তা করেন ফ্লাইট টাইমের কিছু আগে বিমানবন্দর উপস্থিত থাকলেই হলো। আসলে ব্যাপার কিন্ত তা নয়, আপনাকে আপনার ফ্লাইটের মিনিমাম ২ থেকে ৩ ঘন্টা আগে এয়ারপোর্টে আসতে হবে।

টিকেটে যে সময় টি দেয়া থাকে তা হলো ফ্লাইং টাইম অর্থাৎ ওই সময়ে প্লেন ছেড়ে যাবে, কিন্ত এর আগে চেকইন, বোর্ডিং এর সকল প্রস্তুতি সারতে হয়। তাছাড়া ডোমেস্টিক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইটে আধাঘন্টা আগে থেকেই চেকইন বন্ধ করে দেয়া হয়। তাই টিকেটে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে এয়ারপোর্টে উপস্থিত থাকাটা জরুরী।

০৩. লাগেজ এর ওজন মেপে নিন

যাত্রার শুরুতেই আপনার লাগেজের ওজন মেপে নিন। লাগেজ এর ওজন পরিমানের থেকে অতিরিক্ত হলে আপনাকে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। আপনার টিকেটেই লেখা থাকবে আপনি ক্যারি অন এবং লাগেজে মোট কত কেজি মালামাল বহন করতে পারবেন। ওয়ারপোর্টে গিয়ে অতিরিক্ত ওজনের জন্য জরিমানা না দিয়ে বাসা থেকেই লাগেজ এর ওজন মেপে নেয়াটা ভালো।

০৪. চেকইন

ওয়ারপোর্টে আসার পর প্রথমেই যে কাজটি আপনাকে করতে হবে তা হলো চেকইন। চেকইন হলো এমন একটি প্রকৃয়া যার মাধ্যমে ভ্রমণের আগে বিমানবন্দরে কোনও বিমান সংস্থা যাত্রীদের গ্রহণ করে। চেকইন ব্যাবস্থাটি একটি নিদৃষ্ট প্রকৃয়ার মধ্যে হয়ে থাকে। এবং এটি ভ্রমন শুরুর আধাঘন্টা আগে শেষ হয়ে থাকে।

তাই ঝামেলা এড়ানোর জন্য সঠিক সময়ে এয়ারপোর্টে উপস্থিত থাকা এবং চেকইন করাটা জরুরী।

০৫. সঠিক সিট পছন্দ করে নিন

চেকইন করার সময় ই আপনি আপনার পছন্দের সিট টির কথা কাউন্টারে যিনি থাকবেন তাকে বলুন। মনে রাখবেন পরবর্তীতে আপনি চাইলেও আপনার সিট পরিবর্তন করতে পারবেন না। যদি সঙ্গী সহ ভ্রমন করে থাকেন তাহলে সেটা বলে নিবেন যে আপনারা পাশাপাশি সিট চাচ্ছেন। আর যদি প্রথম বারের মত বিমান ভ্রমন করে থাকেন তাহলে জানালার পাশের সিট নিতে পারেন তা না হলে বিমানের মধ্যে এদিক ওদিক তাকিয়েই ভ্রমন সারতে হবে।

০৬. খাবার

বিমানে খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। কারন খাবারের টাকা তারা টিকেটের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। লম্বা বিমান যাত্রা কিংবা অল্প সময়ের বিমান যাত্রা যাই হোক না কেনো সব এয়ারলাইন্সেই খাবার দেয়ার বিষয়টি প্রচলিত আছে।

ধরুন আপনি ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম যাবেন এখানে ফ্লায়িং আওয়ার মাত্র ৩০-৩৫ মিনিটের মত কিন্ত এর মধ্যেও বিমানবালা আপনাকে একবার খাবার প্রদান করবে।

তবে দূরের যাত্রা কিংবা যাদের একটু বেশি বেশি খাওয়ার অভ্যাস তারা চাইলে অতিরিক্ত খাবার সাথে নিতে পারেন। কিন্ত খাবার নেয়ার ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্স গুলোর নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন আছে। তা আগে জেনে নিন।

০৭. কি কি নিয়ে ভ্রমন করা যাবে না আগেই নিশ্চিত থাকুন

বিমান ভ্রমনে ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই কি কি জিনিস নিয়ে ভ্রমন করতে পারবেন না এ ব্যাপারে নিশ্চিন হয়ে নিন। বিশেষ করে ধারালো কোন কিছুই ব্যাগে বহন করা যাবে না। এর বাইরে পচনশীলদ্রব্য যেমন কাচা মাংশ মসলা ফল এগুলোর ব্যাপারেও এয়ারলাইন্সগুলোর নিশেধাজ্ঞা থাকে।

বিমান ভ্রমনে সতর্ক থাকার জন্য তাই আগেই এ বিষয় গুলো সম্পর্ক নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি কি কি নিয়ে বিমানে ভ্রমন করতে পারেন না। কারন বিমান বন্দরে গিয়ে যদি আপানি শুনতে পান একটা গুরুত্বপূর্ন জিনিস সাথে নিতে পারবেন না তাহলে সেটা ফেলে যাওয়া কিংবা ভ্রমন বাতিল করা ছাড়া অণ্য কোনো পথ খোলা থাকবে না।

 

আশাকরি আজকের ব্লগটি আপনাদের ভালো লেগেছে। ব্লগ সম্পর্কে যেকোনো মতামত জানাতে পারেন কমেন্ট বক্সে। আপনার হয়তো যেনে থাকবেন প্রতি মাসে আমরা ২টি করে ব্লগ পাবলিশ করি। আমাদের ব্লগ গুলো আপনাদের জন্যই লেখা হয় তাই আপনারা মতমত জানাতে পারেন যে কি ধরনের ব্লগ চান আপানারা।

ধন্যবাদ।

Add Comment